ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির গুরুতর ত্রুটিগুলো স্পষ্ট হচ্ছে

ঢাকা: ডোকলাম সীমান্তে চীন-ভারত অচলাবস্থা সৃষ্টির পর থেকে এর পেছনে লুকিয়ে থাকা বাস্তবতাগুলো সামনে আসার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির গুরুতর ত্রুটিগুলো স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

ভারতীয় পররাষ্ট্রনীতির একটি ‘মন্ত্রে’র মতো ২০১৪ সালে ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতি গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এই নীতিতে যেসব লক্ষ্য উদ্দেশ্য হাসিলের কথা বলা হয়েছে এখন পর্যন্ত তার কিছুই অর্জন করা যায়নি।

প্রতিবেশী দেশগুলোর ভারতের প্রতি বন্ধুসুলভ মনোভাব জোরদার, ক্ষুদ্র প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে দেশটির প্রতি মমত্বের টান সৃষ্টির বদলে বরং এই নীতি নানা ধরনের আশংকা তৈরি করেছে। আতঙ্কের পর্যায়ে না পৌঁছলেও এই আশঙ্কা একটি অহঙ্কারি ও উদ্ধ্যত কর্তৃত্বপরায়ণ বড় ভাইয়ের আধিপত্যের শিকার হওয়ার মতো পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বড় দেশটি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের যে সহায়তার প্রস্তাব দিচ্ছে বা বড় বড় প্রকল্পগুলোর কাজ বাগিয়ে নিতে যে লবিং করছে হয় সেগুলো প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে, না হয় আধিপত্যের শিকার হওয়া থেকে বাঁচতে অনিচ্ছায় সম্মতি দেয়া হচ্ছে।

প্রতিবেশী দেশগুলোর রাজনীতিতে সবসময় ভারত প্রচ্ছন্নভাবে হস্তক্ষেপ করে আসছে। দেশটি যখন বৃহত্তর অর্থনৈতিক সম্পর্কের কথা বলে তখন তাকে রাজনৈতিক ‘ট্রোজান হর্স’ হিসেবে দেখা হয়। দুর্বল প্রতিবেশীগুলোর বিরুদ্ধে যেসব কৌশল ব্যবহার করা হয় তার একটি হলো প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে ধীর গতি অবলম্বন। অথবা, গুরুতর কোনো সমস্যা তৈরি করে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজটিকেই বন্ধ করে দেয়া।

শক্তিশালী প্রতিবেশীদের সঙ্গেও ভারতের সংঘাত রয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাত জাতিগত। চীনের সঙ্গে বিরোধও জাতিগত। কিন্তু এ দু’য়ের মধ্যে পার্থক্য হলো এ পর্যন্ত মাত্র একবারই চীন-ভারত বিরোধ আকস্মিকভাবে জ্বলে উঠেছে।

কিন্তু ডোকলাম সীমান্তে এবারের সংকটকেও ১৯৬২ সালের সংকটের মতো বলে মনে হচ্ছে। এই সংঘাত যেকোনো সময় ধ্বংসাত্মক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। আর তেমনটি ঘটলে ভারতের অর্থনীতি মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

ডোকলাম অচলাবস্থার পরিণতিতে ভুটান ভারতের কক্ষচ্যুত হয়ে চীনের কক্ষপথে ঢুকে পড়তে পারে। অথবা দেশটি চীন ও ভারতের কাছ থেকে সমান দূরত্ব বজায় রাখার নীতি গ্রহণ করতে পারে। এতেও চীনের চেয়ে অনেক বেশি অসুবিধা হবে ভারতের।

নতুন নামে পুরনো নীতি

এখানে যদিও মোদীর ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির কথা বলা হয়েছে কিন্তু এককভাবে মোদীর ওপর দায় চাপানো ঠিক হবে না। সেই ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর থেকে (পাকিস্তান ছাড়া) ক্ষুদ্র প্রতিবেশী দেশগুলোর ব্যাপারে ভারতের নীতি হলো পৃষ্ঠপোষকতা ও আধিপত্য। নরেন্দ্র মোদী শুধু একে সুস্পষ্ট রূপ ও একটি নাম দিয়েছেন। তবে, মোদী এই নীতিকে আরো অনেক দূর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন। কারণ, একটি উদ্দীপ্ত ও উগ্র জাতীয়তাবাদী চেতনায় উজ্জীবিত ভারতে উৎসমুখ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি।

২০১৪ সালে তিনি ক্ষমতায় গ্রহণের পর কিছু ভাষ্যকার মন্তব্য করেছিলেন এই বলে যে মোদী সরকার পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়াবে। সত্য যাই হোক না কেন প্রতিবেশীদের মধ্যে শুধু এই দুটি দেশই ভারতকে রুখে দাঁড়াতে পারে।

আন্ত:সীমান্ত সন্ত্রাসসহ ভারতে বহুরকম সমস্যা তৈরি করে রেখেছে পাকিস্তান। অন্যদিকে, নয়াদিল্লি ইসলামাবাদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়তে গিয়ে কাশ্মীরে মুসলিমদের বিরুদ্ধে লাগামহীন সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। কাশ্মীরি তরুণরা পাথর ছুড়লে তাদের প্রতি গুলি ছুড়ছে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনী। কাশ্মীরি তরুণরা আন্দোলন করলে তাদেরকে পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করার জন্য দায়ী করা হচ্ছে। শত শত কাশ্মীরি তরুণের মৃত্যু ও রক্ত আজ কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা করে ফেলেছে। কাশ্মীর সীমান্তে প্রতিদিন পাকিস্তান ও ভারতের সেনাদের মধ্যে গুলি বিনিময়ের মধ্য দিয়েও উত্তেজনা প্রকাশ পাচ্ছে।

চীনের সঙ্গে বিরোধ

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষায় বিশেষ করে সীমান্ত বিরোধের মতো স্পর্শকাতর ও অনিস্পন্ন ইস্যুগুলোতে আগের সরকারগুলোর নীতিগুলো মোদী শুধু পরিত্যাগ করেননি বরং এশিয়া ও বিশ্ব শক্তি হিসেবে দেশটির উত্থানকে চ্যালেঞ্জ করে বসেন।

রাজিব গান্ধী, পি ভি নরসীমা রাও, এ বি বাজপেয়ী ও মনমোহন সিং-এর নীতি বাদ দিয়ে শুরুতে মোদী চীনের এমন ইস্যুগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেন যেগুলো ভারতের তাৎক্ষণিক কোনো স্বার্থে আঘাত হানবে বলে মনে হয়নি।

তিনি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রস্তাবিত ‘এক অঞ্চল এক সড়ক’ (ওবিওআর) উদ্যোগের বিরোধিতা করেন। এই প্রকল্প ১৯৪৮ সাল থেকে পাকিস্তানের দখল করে রাখা একটি ‘বিতর্কিত ভূখণ্ডে’র মধ্য দিয়ে গিয়েছে শুধু এই অজুুহাতে ওই উদ্যোগের বিরোধিতা করা হয়। পাকিস্তানের কাছ থেকে ওই ভূখণ্ড ইহজনমে ভারতের ফেরত পাওয়ার কোনো সুযোগ যখন নেই তখন তার এ রকম বিরোধিতা করার কোনো মানে হয় না।

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের গিলগিট-বাল্টিস্তান এলাকায় ১৯৬৬ সালে চীন কারাকোরাম মহাসড়ক নির্মাণ করে। তখন ভারত এর জন্য আক্ষেপ করতে গিয়ে সময় নষ্ট করেনি।

চীনকে উপেক্ষা করতে গিয়ে মোদী সরকার রাজনৈতিক কারণে ওবিওআর প্রকল্পের বিরোধিতা করছে। অথচ চীনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- এটি একটি অর্থনৈতিক প্রকল্প এবং এতে এই অঞ্চলের সবগুলো দেশ ব্যাপক সুফল পাবে। এর সঙ্গে পাকিস্তান-ভারতের কাশ্মীর বিরোধের কোনো সম্পর্ক নেই। ভারত ও পাকিস্তান আলোচনার মাধ্যমে নিজেরাই এই বিরোধের নিষ্পত্তি করবে।

নয়াদিল্লি আরেক ধাপ এগিয়ে ওবিওআর’র বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা শুরু করে এবং বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ওবিওআর সম্মেলন বয়কট করে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কমিউনিস্ট পার্টির কংগ্রেসের আগে এই সম্মেলনের আয়োজন করে প্রেসিডেন্ট শি নিজের ভাবমূর্তি বাড়ানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এর আগে মোদী নির্বাসিত তিব্বতি নেতা দালাই লামা ও ভারতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত রিচার্ড ভার্মাকে বিতর্কিত অরুনাচল প্রদেশে সফরের অনুমতি দেয়। চীন এই অঞ্চলকে তিব্বতের অংশ বলে দাবি করছে। সম্প্রতি চীনের বড় দুই প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে মালাবার নৌ মহড়ার আয়োজন করে ভারত।

ডোকলাম অচলাবস্থা

তবে, ভুটান ও তিব্বত সীমান্তে চীনের একটি সড়ক নির্মাণে বাধা দিতে সম্প্রতি ভারতীয় সেনারা সেখানে ঢুকে পড়ায় বেইজিং সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ হয়েছে এবং এই ঘটনা দেশটিতে যুদ্ধংদেহী মনোভাব তৈরি করেছে।

ভারত বলছে, ডোকলাম বিতর্কিত ভূখণ্ড এবং ২০০৭ সালে ভুটানের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী তারা সেখানে সেনা মোতায়েন করেছে। ওই চুক্তিতে পরস্পরের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে।

কিন্তু চীন বলছে, ১৮৯০ সালে বৃটিশ রাজ ও চীন সরকারের মধ্যে সই হওয়া চুক্তি অনুযায়ী ওই এলাকা তাদের। তবে যা কিছুই হোক না কেন ওই এলাকাটি ভুটানের কাছে এবং সেখানে ভারতের হস্তক্ষেপ করার কোনো কারণ নেই, চীন যুক্তি দেখায়।

ভুটানের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য ভারতকে দায়ী করে চীন। বেইজিং বলছে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ১৯৮৫ সাল থেকে থিম্ফুর সঙ্গে তারা আলোচনা চালিয়ে আসছে। চীন আরো বলছে, ডোকলামের ব্যাপারে ভুটান অতি সম্প্রতি দাবি তুলেছে এবং তা হয়েছে ভারতের পীড়াপীড়িতে। ডোকলামকে ইস্যু বানিয়ে ভারত ভুটানের নয়, নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় বলে চীন উল্লেখ করে।

এশিয়ার দুই বৃহৎ প্রতিবেশীর মধ্যে অচলাবস্থা বিরাজ করলেও ভারত ডোকলাম থেকে সেনা সরিয়ে নিতে অস্বীকার করে। অন্যদিকে, সেনাদের হটাতে যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে চীন। আর, দুই পাহাড়ের ফাটলে আটকা পড়েছে ভুটান।

চীন ও ভারত দু’দেশের সঙ্গেই বিরোধ রয়েছে ভুটানের। তবে, দেশটির সবচেয়ে বেশি সমস্যা ভারতকে নিয়ে। দেশটি অর্থনৈতিকভাবে ভারতের ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল। ভারত তাকে দখল করে নিতে পারে এমন আশঙ্কাও করছে দেশটি।

১৯৭৫ সালে ভারত প্রতিবেশী সিকিমকে নিজের সঙ্গে যুক্ত করে নেয়।

অন্যদিকে, ভুটান চীনকেও চটাতে চায় না। কারণ, তারাও এ ভূখণ্ড দখল করে নিতে পারে- এমন ভয় রয়েছে। ১৯৫১ সালে তিব্বত চীনকে নিজ ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে।

প্রয়োজন স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতি

ডোকলামকে ঘিরে চীন-ভারত অচলাবস্থা ভুটানের জন্যও সংকটপূর্ণ অবস্থা তৈরি করেছে। চীন-ভারত সম্পর্কে উত্তেজনা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভুটানকেও অবিলম্বে তার পররাষ্ট্র নীতির পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। ভারতের অর্থনৈতিক আধিপত্যের কারণে ভুটানের জনগণের মধ্যে সৃষ্ট বিচ্ছিন্নতাবোধ নিরসন ও নিজের পররাষ্ট্র নীতির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য, অন্তত ভারতকে সামলে রাখতে হলেও ভুটান চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলতে পারে।

এর প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে হিমালয়ান দেশটির চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন। ভারতের হস্তক্ষেপের কারণে এখন পর্যন্ত ভুটান এ কাজটি করতে পারেনি। ভারতের সঙ্গে ২০০৭ সালে একটি সংশোধিত চুক্তি করার পরও ভুটান স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করতে পারেনি।

তবে, ভারতের জটিল অর্থনৈতিক বন্ধন থেকে মুক্তি পাওয়া এই মুহূর্তে ভুটানের জন্য সবচেয়ে কঠিন কাজ হবে। নয়াদিল্লি’র ইন্সটিটিউট অব ডিফেন্স স্টাডিজ এন্ড এনালাইসিস’র মতে, ভুটানের ৯৫% রফতানি পণ্য ভারতে যায় এবং ভারত দেশটির ৭৫% আমদানি চাহিদা মেটায়। ভুটানের জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে ভারত ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করায় সেদিক দিয়েও থিম্ফু দিল্লির কাছে বাধা। এই সুযোগে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা নানা অসাধু তৎপরতায় লিপ্ত।

বলা হয় যে, ভারত ভুটানকে যে অর্থ সাহায্য দেয় তা আবারো ভারতে ফেরত আসে। শিল্পের কথা বাদ দিলেও ভারতের কাছ থেকে কৃষিজাত পণ্য আমদানির কারণে ভুটানের কৃষিখাত প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে।

ভুটান বিদেশে ৫৩টি দেশে মিশন স্থাপনের মাধ্যমে ভারতের আধিপত্য কমিয়ে আনতে চাইছে। দেশটি ভারতের চাপ উপেক্ষা করে বাংলাদেশ-ভারত-ভুটান-নেপাল মটরযান চলাচল চুক্তি অনুমোদন করতে অস্বীকৃতি জানায় ও পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। তারা ইতোমধ্যে চীনের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ স্থাপন করেছে এবং সীমান্ত বিরোধে চীনের সঙ্গে কোনো ‘প্যাকেজ চুক্তি’ও মেনে নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চীন বলেছে, ভুটান যদি ডোকলাম উপত্যকা ছেড়ে দেয় তাহলে তারাও সীমান্তে ভুটানের কিছু এলাকার ওপর অধিকার ছেড়ে দেবে। কিন্তু দোকলাম উপত্যকায় চীনের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলে তা ভারতের জন্য কৌশলগত হুমকি সৃষ্টি করবে। ইতোপূর্বে আলোচনায় চীনের অনেক দাবি মেনে নেয়া থেকে ডোকলামের ব্যাপারে ভুটানের মনোভাবের আঁচ করা যায়।

ওয়াশিংটনে ইন্সটিটিউট ফর চায়না-আমেরিকান স্টাডিজের সিনিয়র ফেলো সৌরভ গুপ্তের মতে এটা হলো বর্তমান অচলাবস্থা থেকে ভারতের সসম্মানে বেরিয়ে আসার পথ।

গত রবিবার সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টে’র এক নিবন্ধে গুপ্ত বলেন, ‘বেইজিংয়ের সঙ্গে বিরোধে থিম্ফুকে নয়াদিল্লির সামনে নিয়ে আসা উচিত হবে। ওই এলাকার ওপর চীনের কার্যকর এক্তিয়ার মেনে নিয়ে পরস্পরের কাছে গ্রহণযোগ্য সীমান্ত প্রটোকল সই করতে হবে।’

‘পাশাপাশি, নয়াদিল্লিকে ডোকলাম এলাকা থেকে একতরফা সরে আসার অঙ্গীকার করতে হবে। ২০১২ সালের সমঝোতা অনুযায়ী বেইজিং ত্রি-দেশীয় সংযোগ সীমান্ত চূড়ান্ত নিস্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে আলোচনার যে কথা বলছে ভারতকে সেদিকে এগুতে হবে।’

প্রশ্ন হলো- ভারতকে একটি সামরিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে মোদী কি এ কথায় কান দেবেন?

সূত্র: সাউথ এশিয়ান মনিটর

Sharing is caring!

(Visited 1 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *