ন্যাটোর ক্ষমাপ্রার্থনা প্রত্যাখ্যান করলেন এরদোগান

আঙ্কারা: ন্যাটোর মহাসচিব জেন্স স্টলেটোনর্বাগের আনুষ্ঠানিক ক্ষমাপ্রার্থনা প্রত্যাখ্যান করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।

নরওয়েতে চলমান ন্যাটো জোটের সামরিক মহড়া চলাকালীন এরদোগান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট কামাল আতার্তুককে ন্যাটোর শত্রু বলে পোস্টার তৈরি করা হয়। একারনে প্রেসিডেন্ট এরদোগানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চান ন্যাটোর মহাসচিব জেন্স স্টলেটোনর্বাগ।

এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নরওয়েতে চলমান সামরিক মহড়া থেকে এরদোগান নিজ দেশের সেনা ফিরিয়ে নেন। এতে ন্যাটোর সাথে তুরস্কের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। উত্তেজনা এড়াতেই ন্যাটোর মহাসচিব প্রেসিডেন্ট এরদোগানের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন।

প্রেসিডেন্ট এরদোগান টেলিভিশনের এক ভাষণে বলেন, গত বুধবারে ন্যাটো মহড়ায় আমাদেরকে নিয়ে মন্দ আচরণ আপনারা প্রত্যক্ষ করেছেন। এ ধরণের ভুল একমাত্র নির্বোধ এবং নিচু স্বভাবের মানুষের কাজ।

তিনি আরো বলেন, এ ধরনের কার্যকলাপ সহজেই ক্ষমাযোগ্য নয়। শুধু মাফের মাধ্যমে বিষয়টিকে এড়িয়ে যাওয়া যায় না।

তুর্কি প্রেসিডেন্সি কার্যালয় জানিয়েছে, ন্যাটো মহাসচিব এরদোগানের সাথে সরাসরি ফোনালাপে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চান। ফোনালাপে মহাসচিব এ অপরাধে জড়িতদের তদন্ত এবং তাদের বহিষ্কারের কথা জানান।

সূত্র: খালিজ অনলাইন

তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে বিরোধী নেতার চ্যালেঞ্জ
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানকে একটি টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নিতে চ্যালেঞ্জ করেছেন দেশটির প্রধান বিরোধী দল রিপাবলিকান পিপলস পার্টির (সিএইচপি) নেতা কেমাল কিলিকদারগ্লো।

সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসনের (এসএসকে) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কিলিকদারগ্লো’র দুর্নীতি সম্পর্কে এরদোগানের সমালোচনার জবাবে তিনি এই চ্যালেঞ্জ করেন।

শুক্রবার দেশটির উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ টেকিরড্যাগে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই আহ্বান জানান।

এরদোগানকে উদ্দেশ্য করে কিলিকদারগ্লো বলেন, ‘আপনার যদি সাহস থাকে এবং আপনি যে অনন্য সাধারণ প্রতিভার দাবি করছেন তা যদি থাকে, তাহলে আমার মুখোমুখি হন। আমি আপনাকে দেখিয়ে দেব ‘অনন্য সাধারণ প্রতিভা’ কী। কিন্তু কেন আপনি আমার মুখোমুখি হচ্ছেন না?’

১৯৯০ এর দশকে কিলিকদারগ্লো সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসনের (এসএসকে) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুনীর্তির অভিযোগ আনেন এরদোগান। তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে দেউলিয়ায় পরিণত করেন বলে এরদোগানের অভিযোগ।

এর জবাবে সিএইচপি নেতা বলেন, ‘এই ১০ বছরে সেনাবাহিনীর ইন্সপেক্টররা ইতোমধ্য এই অভিযোগের তদন্ত করেছে। তারা আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিন্দুমাত্র প্রমাণ খুঁজে পায়নি।’

Sharing is caring!

(Visited 1 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *