দুর্ধর্ষ ফুলন দেবীঃ দস্যুরাণী হয়েও যিনি মায়ারাণী!

১৯৬৩ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের জালৌন জেলার ঘোড়া কা পুরয়া নামক অজ পাড়া গাঁয়ে হিন্দু ধর্মের নিম্ন বর্ন মাল্লার সম্প্রদায়ের এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম হয় এক কন্যা শিশুর। যার নাম রাখা হয় ফুলন। সেদিন কেউ কল্পনাও করেনি এই শিশু একদিন কিংবদন্তি হবে। অথচ সে নিজে লিখে গেছে এক ইতিহাস।

ফুলনের পিতার মাত্র এক একর জমি ছিল, সেখানে তিনি গাছ লাগিয়েছিলেন। পিতার ইচ্ছা ছিল সে গাছ বিক্রি করে দুই কন্যার বিয়ের যৌতুকের টাকা জোগাড় করবেন। কিন্তু ফুলনের যখন ১১ বছর বয়স তখন তার দাদার মৃত্যু হলে ফুলনের বড় চাচা (জ্যাঠা) ও চাচাতো ভাই মায়াদীন মিলে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সকল সম্পত্তি থেকে ফুলনের পিতাকে বঞ্চিত করে লিখে। ফুলনের পিতা তেমন প্রতিবাদ না করলেও সে সময় ফুলন এর তীব্র প্রতিবাদ করে। মায়াদীন কে চোর, প্রতারক বলে সারা গ্রামে প্রচার করতে থাকে। নানা গালিও দিতে থাকে। সে সমাজে কোন নারী এভাবে উচ্চস্বরে কোণ পুরুষকে এসকল গালি দিত না। এমনকি মায়াদীন ফুলনের গায়ে হাত তুললে ফুলনও তাকে মারে। ফলে ফুলনের প্রতি সমাজের অন্যরা খারাপ মন্তব্য করতে থাকে।ফুলন দেবী

এর কিছুদিন পরেই , মাত্র ১১ বছর এর শিশু ফুলন এর বিবাহ দেয়া হয় ৩০ বছর বয়সী পুট্টিলাল নামের এক লোকের সাথে। যিনি ছিলেন অসৎ চরিত্রের পুরুষ। পুট্টিলাল ফুলনকে জোরপূর্বক ধর্ষণ ও নানা নির্যাতন করতো। স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে ফুলন পিতৃগৃহে ফিরে আসে।

পিতৃগৃহে ফিরেই চাচাতো ভাই মায়াদীন এর রোষানলে পড়তে হয় তাকে। অতীতের অপমান ও সম্পত্তির ব্যাপারে বাঁধা এড়াতে মায়াদীন ফুলনের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এনে থানায় মামলা করে। থানার কর্তা পরিচিত হওয়ায় এবং টাকা পয়সা খরচ করে গ্রেফতার করায়। থানায় গিয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয় ফুলন। আইনরক্ষকদের দ্বারা ধর্ষিতা হয় সে। ৩ দিন নির্যাতনের পর আর কখনো কোন বিষয়ে উচ্চবাচ্য না করে সাধারণ নারীর মত জীবন যাপনের পরামর্শ দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় ফুলনকে।

হাজত থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ফুলনের পরিবার তার শশুড় ও স্বামীকে অনুরোধ করে পুনরায় তাকে গৃহে তোলার জন্য। তখন তার বয়স ১৬ বছর। বলা হয় তখন শিশু ছিল, এখন বড় হয়েছে। এখন সে বুঝতে শিখেছে। তাই একবার সুযোগ যেন দেয়া হয়। কোনভাবেই রাজি না হওয়ার কিছু উপহার দেয়ার শর্তে রাজি করানো হয়। তাছাড়া হিন্দু সমাজে স্ত্রী বর্তমান থাকলে ২য় বিয়ের নিয়ম না থাকায় রাজি হয় তারা। স্বামীগৃহে প্রত্যাবর্তন ঘটে কিশোরী ফুলন দেবীর। কিন্তু এরপরো নির্যাতন অব্যহত থাকার অভিযোগ তুলে স্থায়ীভাবে স্বামীর ঘর ছেড়ে পিতৃগৃহে চলে আসে ফুলন। শশুড় বাড়ি থেকে উপহার ফেরত দিয়ে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়া হয় এরপর আর কোনভাবেই ফুলনকে গ্রহণ করবে না তারা।

সেসময় ভারতীয় সমাজে স্বামীগৃহ ফেরত কোন নারীকে ভাল চোখে দেখা হত না। নানা কথা শুনতে হতো। ফুলনকেও শুনতে হয়েছে নানা কূটকথা।

ডাকাত দলে যোগদানঃ

ফুলন দেবী

১৯৭৯ সালে এক ডাকাত দলের সাথে জড়িয়ে যায় ফুলন। কিভাবে সে জড়িয়ে গেল এ নিয়ে রয়েছে রহস্য। কেউ বলেন ডাকাত দল ফুলনের অগ্নিমূর্তি ও সাহসী স্বভাবের কারনে অপহরণ করে। আবার কেউ বলেন ফুলন সমাজের নির্যাতন ও অপমানের প্রতিশোধ নিতে স্বেচ্ছায় ডাকাত দলের সাথে যোগ দেয়। এ বিষয়ে নিজের আত্নজীবনীতে পরিষ্কার করে কিছু বলেন নি ফুলন দেবী। শুধু লিখেছেন “এটা ছিল ভাগ্যের লিখন” কিন্তু ফুলনের ভাগ্যে যেন লেখাই আছে বারবার নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথা! ডাকাত দলের দলনেতা বাবু গুজ্জর এর কুনজরে পড়ে ফুলন। নানাভাবে পটানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে ধর্ষনের চেষ্টা করে সে। কিন্তু ফুলনের জীবনে নায়ক হিসেবে আবির্ভাব ঘটে এক পুরুষের! ডাকার দলের দ্বিতীয় দলনেতা বিক্রম মাল্লা বাবু গুজ্জরকে হত্যা করে ফুলনকে রক্ষা করে। বিক্রম হয় দলনেতা। ফুলন তাঁর সন্মান রক্ষা করা বিক্রম মাল্লার প্রেমে পতিত হন। অবশেষে বিক্রম তাঁকে বিবাহ করে স্ত্রীর মর্যদা দেন। ফুলন দেবী স্বামী বিক্রম মাল্লার কাছ থেকে থেকে বন্দুক চলানো শিখেছিল। স্বামীর সাথে উত্তর প্রদেশ ও মধ্য প্রদেশ বসবাসকারী উচ্চ বর্নের লোকদের গ্রামে লুন্ঠন, ভূস্বামীদের অপহরন, রেল ডাকাতি ইত্যাদি বিভিন্ন অভিযান চালিয়েছিল।

একদিন ডাকাত দলটি ফুলনের প্রথম স্বামী পুট্টিলাল এর গ্রামে আক্রমণ করে। পুট্টিলালকে টেনে নিয়ে এসে জনসমক্ষে শাস্তি দেয় ফুলন। নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে বন্দুক দিয়ে বেদম প্রহার করে প্রায় মৃত অবস্থায় পুট্টিলালকে ছেড়ে চলে যায় সে। যাওয়ার সময় কম বয়সী বালিকাদের বিবাহ করা ও নির্যাতন করা পুরুষদের উদ্দেশ্যে করে সাবধানবানী লিখে একটি পত্র রেখে যায়।

বেহমাই হত্যাকাণ্ডঃ

ঠাকুর সম্প্রদায়ের শ্রী রাম নামক এক ডাকাত ছিল ফুলনের স্বামী বিক্রম মাল্লার গুরু। শ্রী রাম ও তাঁর ভাই লালা রাম জেলে থাকার সময় বিক্রম ৮০,০০০ টাকা জমা দিয়ে তাঁদের জামিনে বের করে আনে। শ্রী রাম মুক্তি পাওয়ার পর দলের নেতৃত্ব নেয়ার প্রস্তাব জানায়। কিন্তু দলের মাল্লা সম্প্রদায়ের সদস্যরা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে। দল দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। ডাকাত দলের ঠাকুর সম্প্রদায়ের সদস্যরা শ্রী রাম ও মাল্লা সম্প্রদায়ের সদস্যরা বিক্রমের প্রতি অনুগামী ছিলো। শ্রী রাম বিক্রেমকে হত্যা করার সুযোগের সন্ধান করতে থাকে। একবার এক বিবাহের অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময়ে অপরিচিত ব্যক্তি বিক্রমকে গুলি করে। ভাগ্যক্রমে বিক্রম বেঁচে যায়। সামান্য আহত হয় এবং কিছুদিনের মধ্যে বিক্রম সুস্থ হয়ে উঠে। তবে ২য় চেষ্টায় কিছুদিন পর শ্রী রাম বিক্রমকে হত্যা করে কিন্তু অপবাদ দেয়া হয় ফুলনকে। প্রচার করা হয় দলনেতা হওয়ার লোভে ফুলন বিক্রমকে হত্যা করেছে।

শ্রী রাম ফুলনকে আটক করে প্রায় উলঙ্গ অবস্থায় ঠাকুরদের গ্রাম বেহমাই এ নিয়ে যায়। বিক্রমকে হত্যা করার অপরাধে ফুলনকে শাস্তি দেওয়ার জন্য গ্রামবাসীদের আহবান করে। শাস্তিস্বরুপ প্রথমে শ্রী রাম ফুলনকে ধর্ষণ করে। তারপর এক এক করে ঠাকুর সম্প্রদায়ের অনেকে তাঁর উপর যৌন ও শারীরিক নির্যাতন চালায়। ৩ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তাঁর উপর চলে এই অমানুষিক অত্যাচার। ২৩দিন পর মৃত ভেবে ফুলনকে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। কিন্তু জ্ঞান ফিরে ফুলন এক ব্রাহ্মণ ব্যক্তির সাহায্যে ফুলন বেহমাই গ্রাম থেকে পালাতে সক্ষম হয়।

ফুলন অন্য এক ডাকাত দলের সাথে যোগাযোগ করে এবং তার নির্যাতনের কথা শোনায় ও সাহায্য প্রার্থনা করে। ফুলনের নির্যতনের কাহিনী শুনে ডাকাত দলের নেতা বাবা মুস্তাকিন তাঁকে নতুন একটি ডাকাতের দল গঠন করতে সাহায্য করে। প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ফুলন ১৯৮১ সনের ১৪ ফেব্রয়ারী রাম ভাতৃদ্বয়কে হত্যা করার জন্য বেহমাই গ্রামে প্রবেশ করে। সেই সময় বেহমাই গ্রামে ঠাকুরদের এক পরিবারে চলছিল এক বিবাহ উৎসব। ফুলন ও দলের সদস্যরা সম্পূর্ন গ্রাম খুজেও রাম ভাতৃদ্বয়কে পায়নি। ফুলন রাম ভাতৃদ্বয়কে তাঁর হাতে তুলে দেয়ার জন্য অন্যদের প্রতি আদেশ করেন। সে মনে করেছিল ঠাকুররা রাম ভাতৃদ্বয়কে লুকিয়ে রেখেছে। কিন্তু তারা তা অস্বীকার করে। ডাকাতের দল ক্রোধে ঠাকুর সম্প্রদায়ের যুবকদের গুলি করে। এতে ঠাকুর সম্প্রদায়ের ২২জন যুবক নিহত হয়। অবশ্য পরে ফুলন দেবী দাবী করেন যে তিনি নিজহাতে কাউকে গুলি করেন নি। অন্য সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে গুলি চালায়। এটিই হচ্ছে কুখ্যাত বেহমাই হত্যাকাণ্ড বা বেহমাই গণহত্যা।

বেহমাই হত্যাকাণ্ডের জন্য সেই সময়ের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ভিপি সিং পদত্যাগ করার জন্য বাধ্য হয়েছিলেন।

এই ঘটনায় অত্যাচারী ঠাকুরদের নির্যাতনের শিকার জনতার কাছে ফুলনদেবী জনপ্রিয় হয়ে উঠে দস্যুরাণীর নামে। সেই সময়ে উত্তর প্রদেশের শহরগুলিতে দুর্গার বেশে ফুলনের মূর্তি বিক্রয় হয়েছিল।

আত্মসমর্পণঃ

বেহমাই হত্যাকাণ্ড সমগ্র ভারতবর্ষকে কম্পিত করে দিয়েছিল। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে পুলিশের উপর চাপ দেয়া হয় যেকোন মূল্যে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে। পুলিশ গ্রেফতার করতে না পেরে ফুলনের উপর মানসিক চাপ দিতে তাঁর মাতা-পিতাকে গ্রেপ্তার করে। বিভিন্ন স্থানে পুলিশ হামলায় তাঁর দলের বহুসংখ্যক সদস্যের মৃত্যু হয়। ফলে ফুলন দেবী কয়েকটি শর্ত দিয়ে আত্মসমর্পণ করার সিদ্ধান্ত নেন।

শর্ত গুলো ছিলঃ

১। ফুলন ও তাঁর অন্যান্য সঙ্গীরা কেবল মধ্যপ্রদেশে আত্মসমর্পন করবে। বিচারের জন্য তাঁদের উত্তরপ্রদেশে নেওয়া যাবে না।

২। বিচারে ফাঁসী দেয়া যাবেনা ও ৮ বছরের বেশি জেল দেয়া যাবে না।

৩। চাচাতো ভাই মায়াদীন এর দখল করা জমি ফুলনের পিতাকে ফেরত দিতে হবে

৪। ফুলনের পিতামাতাকে মধ্যপ্রদেশে বসবাস করার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

সরকার তাঁর সব শর্ত মেনে নিতে সন্মত হয়। ১৯৮৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিপুল জনতার মাঝে ফুলন আত্মসমর্পন করেন। ফুলনে পরিধান করেছিল একটি খাকী পোশাক, গায়ের উপরে ছিল একটি লাল চাদর। মাথায় ছিল একটি লাল কাপড়। কাধে ছিল একটি বন্দুক। মঞ্চে উঠে হাতজোড় করে তিনি জনসাধারনকে নমস্কার জানিয়ে মহাত্মা গান্ধীর ফটোর সন্মুখে বন্দুকটি রেখে আত্মসমর্পণ করেন।

সরকার ফুলনের সব শর্ত মেনে নিলেও পরে একটি শর্ত ভঙ্গ করেছিল। তাঁকে ১১বৎসর কারাবাসে থাকতে হয়েছিল। অবশেষে ১৯৯৪ সনে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন।

ফুলন দেবী

রাজনীতে পদার্পণঃ

ফুলন দেবী

ভারতীয় সমাজবাদী পার্টির নেতা মুলায়ম সিং যাদব এর হাত ধরে রাজনীতিতে পদার্পণ ঘটে ফুলন দেবীর। ১৯৯৬ সালে উত্তর প্রদেশের মির্জাপুর সংসদীয় আসনে সমাজবাদী পার্টি থেকে ফুলনকে মননোয়ন দেয়া হয়। বিজেপি ও বেহমাই হত্যাকাণ্ডে নিহত হওয়া ঠাকুরের পরিবারের ঘোর বিরোধিতা সত্বেও নির্বাচনে ফুলন দেবী বিজয়ী হন। ১৯৯৮ সনের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ফুলন পরাজিত হলেও ১৯৯৯ সনে মির্জাপুর লোকসভা নির্বাচনে তিনি পুনরায় বিজয়ী হন।

মৃত্যুঃ

২০০১ সনের ২৫ জুলাই তারিখে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লীতে ফুলন দেবীকে গুলি করে হত্যা করা লোকসভার অধিবেশনে যোগ দিয়ে দিল্লির অশোকা রোডের বাড়িতে ঢোকার মুখেই বাড়ির সামনে তিনজন মুখোশধারী এলোপাতাড়ি গুলি করে ফুলন দেবীকে হত্যা করে। শের সিং রানা , ধীরাজ রানা এবং রাজবীর নামে তিনজন খুনী পরে স্বীকার করে তারা ঠাকুর বংশের সন্তান এবং তাদের বিধবা মায়েদের অশ্রু মোছানোর জন্যই তারা ফুলনকে হত্যা করে। ক্ষত্রিয় স্বাভিমান আন্দোলন কমিটি নামক এক সংগঠন ক্ষত্রিয়ের মর্যদা অক্ষুন্ন রাখা ও বেহমাই হত্যাকাণ্ডের বিধবাদের অশ্রুর মর্যদা দেওয়ার জন্য শ্বের সিং-কে সন্মানিত করে।

ফুলন দেবীকে নিয়ে নানা কাহিনী প্রচলিত আছে। বিভিন্ন ভাষায় ফুলন দেবীকে নিয়ে চলচ্চিত্র, নাটক তৈরী হয়েছে।

এর মাঝে সবচেয়ে বিখ্যাত হয় ব্যান্ডিট কুইন নামে হিন্দী চলচ্চিত্র। ১৯৯৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার তাঁকে ভুলভাবে উপস্থাপন করার অভিযোগ এনে মামলা করেন ফুলন দেবী। মামলায় ফুলন দেবীকে ৪০ হাজার পাউন্ড ক্ষতিপুরন দিতে বাধ্য হয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।

ডাকাত হয়েও এত জনপ্রিয়তা কারন হিসেবে বলা হয়, তিনি নির্যাতিত মানুষের পক্ষে থাকতেন। অনেক নির্যাতিত মানুষকে সহায়তা করেছেন। মূলত তার ডাকাত হওয়ার পেছনে রয়েছে এক নির্মম অতীত। এর ফলেই হয়ত তিনি পেয়ছিলেন সাধারন মানুষের সহানুভূতি।

দস্যুরানী হয়েও তিনি অনেকের হৃদয়ে মায়ারানী!

ফুলন দেবী

ফুলন দেবীর শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর শ্রদ্ধা

Sharing is caring!

(Visited 1 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *