চলনবিল এলাকার দুর্ধর্ষ ডাকাতদলের রোমাঞ্চকর ইতিহাস

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের চারটি জেলা রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা জুড়ে বিস্তৃত চলনবিল দেশের বৃহৎ বিল হিসেবে স্বীকৃত। এটি এমন একটি বিল যার উপর দিয়ে বয়ে গেছে প্রায় ৪৭ টির মত নদী। গঠনকালীন ১ হাজার ৮৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ বিল ক্রমে সংকুচিত হয়ে এসে তার রূপ-রস যৌবন যেন হারিয়ে বসেছে। উদ্দাম জলরাশির উন্মত্ততার আড়ালে চলনবিল সাক্ষী হয়ে আছে হাজার রূপ-কাহিনীর। বিলের বুকে রচিত হয়েছে কত উপাখ্যান, হয়েছে স্বপ্নভঙ্গ, সৃষ্টি হয়েছে বেদনার কাব্য।

মধ্যযুগে চলনবিল ছিল দিল্লী থেকে বাংলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। সে সূত্রে বিলের উপর দিয়ে যাতায়াত করতে হত রাজকীয় বাহিনীর। বাংলা থেকে অর্জিত রাজস্ব এ পথ দিয়েই নিয়ে যাওয়া হত। উত্তরাঞ্চলের বেশিরভাগ লোকেরই যোগাযোগের সেরা মাধ্যম ছিল চলনবিল। দেশী বিদেশি পর্যটক পরিব্রাজক এর উন্মত্ততা লিপিবদ্ধ করেছেন তাঁদের লেখনীতে। মুগ্ধ হয়েছেন বারবার।

তবে চলনবিলকে কখনো সর্বনাশা হতে দেখেনি কেউ। পদ্মার বিশাল গ্রাসের মত ভিটেমাটি নিশ্চিহ্ন করে দেয়ারও উদাহরণ নেই। ধ্বংসের কি রূপ তা জানতই না মায়াবী এ বিলের ঘোলাটে পানি। তবে হ্যাঁ, সে ভয়ংকর হয়ে উঠেছিল অন্য এক পটে। এই ভয়ংকরতার পেছনে দোষ যতটা না তার, তারচেয়ে শতগুণে দোষী বিলের উপযোগিতাকে ব্যবহার করা কিছু দস্যুদলের। গ্রাম্য ভাষায় স্রেফ ডাকাতদল।

chalanbil

নাটোরে জন্ম নেয়া ভারতীয় সাহিত্যিক ও গবেষক প্রমথনাথ বিশী চলনবিলের ডাকাতদল নিয়ে বলেছিলেন, “সংসারে অচল লোকদের স্থান চলনবিল। যাদের কিছু নাই শুধু বীর্য আছে, চলনবিলে তাদের সবই আছে। অথবা ইচ্ছা করলেই অল্পদিনে সবই অর্জন করতে পারবে”।

ডাকাতদলের ধারাবাহিক আক্রমণ যেন চলনবিলে অনিবার্য হয়ে পড়েছিল। সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত টাকাপয়সা নিমিষেই চলে যেত তাদের হাতে। আদতে এদের বিরুদ্ধে করারও কিছু ছিল না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অঞ্চলের রাঘববোয়ালদের আগেই তারা টাকাকড়ি দিয়ে হাত করে নিত। কর্তাস্থানীয় কারো কাছে যে কেউ একটা নালিশ করবে সেই ফুরসতও ছিল না। তাই বাধ্য হয়ে ঝুঁকির উপর পার করে দিতে হত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের এসব মানুষদের। চলনবিলে ডাকাতদলের উৎপাত এতই বেড়ে গিয়েছিল যে এখনো মানুষের মুখে মুখে প্রবাদবাক্যের মত ফেরে ডাকাতির ঘটনা।

পণ্ডিত ডাকাত

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ থানার কোহিত গ্রামে বেণী রায় নামের এক ব্রাহ্মণ খুব সম্ভবত চলনবিল এলাকার প্রথম ডাকাত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। সংস্কৃত ভাষায় অগাধ জ্ঞান থাকার কারণে তাকে অনেকে পণ্ডিত ডাকাত নামেও সম্বোধন করত। ডাকাত হিসেবে তার উত্থান মোটামুটি নাটকীয়।

একদিন বেণী রায় আর তার স্ত্রী চলনবিল হয়ে তার নিজ বাড়ি কোহিতে ফিরছিল। তখন পর্যন্ত বেণী রায়ের জীবনযাত্রা স্বাভাবিকই ছিল। পথিমধ্যে তাদের নৌকা প্রবল ঢেউয়ের মুখে ডুবে যায়। তার স্ত্রী আটকা পড়লেও বেণী কোনভাবে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হয়। ঢেউয়ের আঘাতে তার স্ত্রী শংকরী অনেক দূরে আছড়ে পড়ে। ঘটনাক্রমে একই সময়ে দিল্লিগামী একটি রাজকীয় বহর সেনাপতি কাশেম খাঁর নেতৃত্বে বাংলার রাজস্ব নিয়ে যাচ্ছিল। বেণী রায়ের স্ত্রীর অচেতন দেহর দৃষ্টিগোচর হয় কাশেম খাঁর। তিনি যেকোনভাবে হোক শংকরীর পরিচর্যা করে তাকে সুস্থ করে তোলেন। অতঃপর শংকরীর রূপ লাবণ্যে মুগ্ধ হয়ে তাকে সম্রাটের বাঈজী হিসেবে মনোনয়ন দিয়ে দেন।

এরপর কেটে যায় আরও দুই থেকে তিন বছর। বেণী রায় ধরেই নিয়েছিল তার স্ত্রী হয়তো সেদিন মারাই গেছেন। সহসা একদিন বেণীর কাছে খবর আসে যে, শংকরী এখন মুঘল হেরেমে সম্রাটের বাঈজী। তার স্ত্রীকে ফেরত আনতে বেণী তখন অনেক চেষ্টা তদবির চালায়। কিন্তু সে ব্যর্থ হয়। এর অব্যবহিত পরেই সে মুসলিম বিদ্বেষী হয়ে পড়ে এবং সংকল্প নেয় যে তার পরবর্তী পেশা হবে মুসলিমদের মস্তক কর্তন। তার এই ইচ্ছার বাস্তব রূপ দিতে কোহিতে সে প্রতিষ্ঠা করে যবন মর্দিনী কালীমন্দির। কথিত আছে, বেণী রায় প্রতি কালীপূজায় মুসলিমদের মাথা কর্তন করে ধড় চলনবিলে ফেলে দিত। এছাড়া অন্যান্য মৌসুমেও সে একই কাজ করত বলে লোকশ্রুতি আছে।

যাইহোক, বেণী রায়ের মাথায় তখন হিংস্রতা। সে তার স্বাভাবিক জীবন ভুলে যেতে চাইল। আর তখনই তার মোক্ষম অস্ত্র কাজে লাগায়। জড়িয়ে পড়ে ডাকাতির পেশায়। শিষ্যও জুটে যায় অনেক। ভরদুপুর, সন্ধারাতে শুরু হয় তার দস্যুপনা। একের পর এক ডাকাতি করে খুব তাড়াতাড়ি সে এলাকায় পণ্ডিত ডাকাত তকমা নিজ নামের পাশে লাগিয়ে দিতে সমর্থ হয়।

বেণী রায়ের দস্যুপনার কথা অজানা থাকে না। অবশেষে, বেণী রায়কে দমন করার উদ্দেশ্যে দিল্লী থেকে সেনাপতি মানসিংহ প্রেরিত হন। মানসিংহের আগমনের সংবাদ পেয়ে বেণী রায় হৃদরোগের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যায়।
বেণী রায়ের নিজ ভিটা আজো পণ্ডিত ডাকাতের ভিটা নাম ধারণ করে তার পরিচয় বহন করে আসছে। সত্যরঞ্জন রায়ের ‘বেণী রায়’ শিরোনামের ঐতিহাসিক উপন্যাসে তার কথা বলা হয়েছে। কুলশাস্ত্রের এই পঙক্তিতে তার প্রমাণ পাওয়া যায়ঃ
“গঙ্গাপথের গঙ্গাধর, কোহিতের বেণী
ছাতকের বসন্ত রায়, পুংগলির ভবানী”

পঞ্চ ডাকাত

তাড়াশ থানার জাহাঙ্গীরগাঁতি গ্রামের কাছে সরাপপুরে ছিল পঞ্চ ডাকাতের বাড়ি। তার ডাকাতিপনার দরুন ইংরেজ সরকার তাকে একাধিকবার কারাদণ্ড প্রদান করে। তবুও তাকে সুপথে আনতে ব্যর্থ হলে তার দু হাতের কনুই কেটে দেয়া হয়। সে এমনই দুর্ধর্ষ ছিল যে ভাঙা কনুই নিয়েও পূর্নাঙ্গ একটি ডাকাতদল গঠন করে ফেলে এবং সে অবস্থায়ই তার ডাকাতির কার্যক্রম অব্যাহত রাখে।
শেষজীবনে এসে সৎ জীবনযাপনের প্রতিশ্রুতি চেয়ে অবস্থাপন্ন লোকদের দয়া দক্ষিণার সাহায্যে অবশেষে সে তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।
দয়ালু ডাকাত মহর

চলনবিলের অসংখ্য ডাকাতদলকে পাশ কাটিয়ে মহর ডাকাতের কথা বিশেষভাবে সে এলাকার মানুষ মনে রেখেছে। মহর ডাকাত ধনীদের মাল লুট করে গরিবদের তা সাহায্য হিসেবে প্রধান করত। অবস্থাপন্ন লোকদের সাক্ষাত যম হিসেবে আবির্ভূত হয় সে। রায়গঞ্জ থানার নলপা এলাকার আশেপাশে দিনেও চলাফেরা করতে দুইবার ভাবতে হত মহর ডাকাতের ভয়ে। মহর ডাকাতের মহত্ব নিয়ে চমৎকার এক কাহিনী প্রচলিত আছে। চলুন শুনা যাক সে গল্প।

কুষ্টিয়ার এক গরিব ব্রাহ্মণ তার মেয়ের বিয়ের টাকা জোগাড় করতে না পেরে পাবনা শহরে আসে, উদ্দেশ্য যদি কিছু টাকা পাওয়া যায়। সারাদিন এখানে ওখানে ধরনা দিয়েও কোন গত্যন্তর না হওয়ায় বিফল মনোরথে বাড়ির পথ ধরে বৃদ্ধ ব্রাহ্মণ। নৌকাযোগে চলনবিলে যাওয়ার পথে সন্ধ্যা হয়ে আসে। ব্রাহ্মণের মনে অজানা আতংক ভর করে। মাঝিকে তাগাদা দেয় এই বলে,
“নৌকা তাড়াতাড়ি চালাও। মহর ডাকাতের দেশ। না জানি কি হয়”।
ঘটনাক্রমে, একই নৌকায় ছদ্মবেশে বসেছিল খোদ মহর ডাকাত। ছদ্মবেশী মহর ব্রাহ্মণকে সবকিছু জিজ্ঞেস করে। জানতে চায় তার কত টাকা লাগবে। অতঃপর নৌকা থেকে নামার পর ছদ্মবেশী মহর ব্রাহ্মণের নিকট তার পরিচয় ফাঁস করে এবং প্রয়োজনীয় টাকা ধরিয়ে দেয়। নিজ এলাকায় গিয়ে ব্রাহ্মণ মহর ডাকাতের এ মহানুভবতার কথা প্রচার করে।

মহর ডাকাতকে ধরতে পুলিশের অনেক বেগ পেতে হত। সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করত মহর ডাকাতকে ধরা চাট্টিখানি কথা না। কারণ সে নাকি যেকোনমুহূর্তে অদৃশ্য হয়ে যেত। কথিত আছে, একবার পুলিশ মহর ডাকাতের হাতে হাতকড়া পরিয়ে নৌকা দিয়ে থানায় নিয়ে যাচ্ছিল। মাঝপথে মহর বলে উঠল, “তোমরা একটু শেকল ধরে রাখ আমি একটু গোসল সেরে নেই”। যেইনা ডুব দিল ওমনি সে উধাও। পুলিশ পরে আর তার কোন খোঁজ পায়নি। সবাই বিশ্বাস করত ঐদিন নাকি মহর অদৃশ্যই হয়ে গিয়েছিল। এছাড়া মহরকে জেলখানায় আটকে রাখলেও নাকি সে কিভাবে যেন বেরিয়ে যেত। তার বাড়িতে গিয়ে কেউ যদি খাঁ সাহেব বলে হাঁক দিত তবে তার চারটি ঘর থেকে একসাথে উত্তর পাওয়া যেত।
মহর ডাকাত নিয়ে এসব অদ্ভুত কাহিনী আজো রাজশাহী, পাবনা এলাকার মানুষের মুখে মুখে ফেরে।

নন্দ ডাকাত

গুরুদাসপুর থানার মসিন্দা ইউনিয়নের শিকারপুর গ্রামের নন্দ ডাকাত তার দস্যুপনার মাধ্যমে ঐ এলাকায় চরম আধিপত্য কায়েম করেছিল। কোনধরনের বাছবিচার ছাড়াই দিনে-দুপুরে ছদ্মবেশে সে ডাকাতি শুরু করে দিত। ১৯২৭ সালে তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত এলাকাবাসী ফাঁদ পেতে তাকে হত্যা করে এবং তার লাশ টুকরো টুকরো করে গুমানী নদীতে ডুবিয়ে দেয়।
গামছামোড়া ডাকাত

ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে চলনবিল এলাকায় গামছামোড়া ডাকাতদের উৎপাত বেড়ে যায়। তারা অভিনব উপায়ে ডাকাতি করত। জলে ও স্থলে তাদের ছিল দোর্দণ্ডপ্রতাপ। পথিকদের সাথে প্রথমে ভদ্রভাবে কথা বলত এবং সুযোগ বুঝে গলায় গামছা পেঁচিয়ে সর্বস্ব লুট করে নিত।
এমনকি সাধারণ কোন কৃষকের গায়ে গামছা দেখলে মানুষ ভয়ে কুঁকড়ে যেত। কে গামছামোড়া ডাকাত আর কে সাধারণ কৃষক আসলে বুঝার কোন জো ছিল না।

ঠগী ডাকাত

ঠগী ডাকাতদল দস্যুপনার ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করে। কখনো দরবেশ বা সন্ন্যাসী, কখনোবা পাগলের রূপ ধারণ করে এরা পথিকের উপর হামলে পড়ত। ঠগীদের উৎপাত এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে এদের দমন করতে শেষপর্যন্ত বেন্টিং-এর আমলে ১৮২৮ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় ঠগী দমন কমিশন।

চলনবিল অঞ্চলের এসব ডাকাত ছাড়াও ছিল সলপের স্যানাল জমিদার ডাকাত, রমা ও শ্যামা ডাকাত, মুন্সী ডাকাত, জিতু ডাকাত, ফতু ডাকাত, পরশুরাম ডাকাত। পরশুরাম ডাকাত কোন বাড়িতে ডাকাতি করার আগে সংশ্লিষ্ট বাড়িতে আগে চিঠি পাঠিয়ে সতর্ক করে দিত।

ডাকাতদের নিজস্ব ধর্ম

এ অঞ্চলের অগণিত ডাকাতদলের একটি জায়গায় গিয়ে চমৎকার এক সাদৃশ্য পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে ছিল অভাবনীয় ঐক্য। এক ডাকাতের বাড়িতে আরেক ডাকাতদল কখনোই হামলা চালাত না। হিন্দু ডাকাতদল জয় মা কালী বা কালী মা কি জয় এবং মুসলিম ডাকাতদল ইয়া আলী বলে বাড়ি বা নৌকায় অভিযান পরিচালনা করত। একই জায়গায় ডাকাতিকালে যদি একাধিক ডাকাতদল উপস্থিত হয়ে যেত তবে তাদের নিজস্ব সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করে, পরে আসা ডাকাতবহর শটকে পড়ত।
ডাকাতরা যার নুন খেত তার বাড়িতে কখনো ডাকাতি করত না। কথিত আছে, একবার বিয়েবাড়িতে ডাকাতি করতে ডাকাতের একটি ছোট্ট দল বরযাত্রী সেজে উপস্থিত হয়। কন্যাপক্ষ তাদের খাওয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করলে ঐ দল ইতস্তত করতে থাকে।
এতে তাদের সন্দেহ করা হয় এবং আড়ালে গিয়ে কন্যাপক্ষের কিছু লোক লাঠিসোটা হাতে বাড়ি ঘিরে ফেলে। অবস্থা বেগতিক দেখে ডাকাতের এ ক্ষুদ্র দল কোনরকমে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে এ যাত্রা রক্ষা পায়।

দস্যুপনার ভয়ানক ইতিহাসের ইতি

চলনবিল সৃষ্টির পর হতে বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত অসংখ্য ডাকাতদল মূর্তিমান আতংক হয়ে জনমনে তাদের প্রভাব কায়েম করেছিল। এসব ডাকাতদের পাল্লায় পড়ে অনেকে হয়েছে নিঃস্ব, হয়েছে দেউলিয়া। আজ আর এসব ডাকাতদলের তেমন কোন অস্তিত্ব নেই। তাদের বংশধররা এখন স্বাভাবিক জীবনের অধিকারী। চলনবিল এখন প্রায় শান্ত। তবুও মাঝে মাঝে উঁকি দেয় পুরনো রোগ। গত বছরের(২০১৬) ১৭ ই জুন চলনবিলের ভাংগুড়া, চাটমোহর ও তাড়াশ উপজেলার ১৫-২০ টি গ্রামের মানুষকে ডাকাত আতংকে রাত জেগে পাহারা দেয়ার খবর পাওয়া গেছে। একই বছর পুলিশের পোশাকে অভিনব ডাকাতির কথাও শুনা গেছে। তবে এ কথা বলতে বাঁধা নেই যে, চলনবিল এলাকার মানুষজন এখন স্বাচ্ছন্দ্যে দিনাতিপাত করতে পারছে। কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হয়তো তার ভয়ানক ইতিহাসের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে শুধু।

তথ্যসূত্র : চলনবিলের ইতিকথা, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবদুল হামিদ
উইকিপিডিয়া

Sharing is caring!

(Visited 1 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *